বাজার ও আবহাওয়া

সেনসেক্স
অপেক্ষা করুন...
আবহাওয়া (কলকাতা)
খোঁজা হচ্ছে...
সোনার দাম (১০ গ্রাম)
অপেক্ষা করুন...
১ মার্কিন ডলার (USD)
অপেক্ষা করুন...
লোড হচ্ছে...
logo
হট টপিক

আসানসোল-বর্ধমান শাখার সঙ্গে জুড়ছে বাঁকুড়া, চলতি সপ্তাহেই হাইভোল্টেজ বৈঠক

প্রকাশিত: ২২ জুন, ২০২৬
আসানসোল-বর্ধমান শাখার সঙ্গে জুড়ছে বাঁকুড়া, চলতি সপ্তাহেই হাইভোল্টেজ বৈঠক
শেয়ার করুন :
facebook iconx iconlinkedin iconwhatsapp icon

নিজস্ব প্রতিবেদন: বাঁকুড়া জেলাকে পূর্ব রেলের আসানসোল-বর্ধমান শাখার সঙ্গে যুক্ত করতে বড়সড় পদক্ষেপ করতে চলেছে কেন্দ্র ও রাজ্যের ডবল ইঞ্জিন সরকার। জঙ্গলমহলের সঙ্গে শিল্পাঞ্চল দুর্গাপুরের সরাসরি রেল যোগাযোগ গড়ে তুলতে তৎপরতা শুরু হয়েছে। এই লক্ষ্যেই চলতি সপ্তাহে রেলের উচ্চপদস্থ আধিকারিকদের সঙ্গে বাঁকুড়া জেলা প্রশাসনের কর্তাদের একটি হাইভোল্টেজ বৈঠক হতে চলেছে। রেলের পাশাপাশি ভূমি, বন সহ একাধিক দপ্তরের আধিকারিকরাও এই বৈঠকে উপস্থিত থাকবেন।

জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, বাঁকুড়ার প্রস্তাবিত একাধিক রেল প্রকল্পের ভবিষ্যৎ ও রূপরেখা নির্ধারণ করতেই এই যৌথ বৈঠকের ডাক দেওয়া হয়েছে। বাঁকুড়ার জেলাশাসক অনীশ দাশগুপ্ত জানান, "জেলার মোট চারটি গুরুত্বপূর্ণ রেল প্রকল্প এবং সেগুলির রুট নিয়ে এই বৈঠকে বিস্তারিত আলোচনা হবে। প্রশাসনের তরফে ইতিমধ্যেই সমস্ত রকমের প্রস্তুতি নেওয়া শুরু হয়েছে।"
প্রশাসন সূত্রে খবর, বর্তমানে বাঁকুড়া থেকে বেলিয়াতোড় পর্যন্ত রেলপথ (বাঁকুড়া-মশাগ্রাম শাখা) চালু রয়েছে। এবার বেলিয়াতোড় থেকে দুর্গাপুর পর্যন্ত নতুন করে প্রায় ২৭ কিলোমিটার রেলপথ নির্মাণের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এই রুটটি তৈরি হলে বাঁকুড়া সহ গোটা জঙ্গলমহলের সঙ্গে দুর্গাপুরের শিল্পাঞ্চল সরাসরি জুড়ে যাবে। এই প্রকল্পটিকে রেলের তরফে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। বেলিয়াতোড়-দুর্গাপুর রেলপথের মাঝে বড়জোড়াতে একটি নতুন রেল স্টেশন তৈরি করার প্রস্তাবও রয়েছে।
এর পাশাপাশি ডিভিসির মেজিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে কয়লা পরিবহণের জন্য রানিগঞ্জ থেকে গঙ্গাজলঘাটি ব্লকের দুর্লভপুর পর্যন্ত একটি বিশেষ রেললাইন রয়েছে। বর্তমানে এই লাইনে শুধুমাত্র পণ্যবাহী মালগাড়ি চলাচল করে। নতুন পরিকল্পনায় বড়জোড়া স্টেশনকে এই দুর্লভপুরের পণ্যবাহী লাইনের সঙ্গে জুড়ে দেওয়ার ভাবনা রয়েছে। যদি এই পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হয়, তবে আগামী দিনে মেজিয়া ও বড়জোড়া শিল্পাঞ্চলের অর্থনৈতিক চেহারাটাই বদলে যাবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
তবে এই মেগা রেল প্রকল্প রূপায়নের পথে প্রধান বাধা দামোদর নদ। বেলিয়াতোড় থেকে দুর্গাপুর পর্যন্ত লাইন টানতে গেলে দামোদর নদের ওপর একটি বিশাল রেল সেতু নির্মাণ করতে হবে। যার জন্য প্রয়োজন বিপুল অঙ্কের টাকা। রেল মন্ত্রক এই বিপুল পরিমাণ অর্থ দ্রুত বরাদ্দ করবে কি না, তা নিয়ে ইতিমধ্যেই বিভিন্ন মহলে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। তবে চলতি সপ্তাহের বৈঠকেই এই জট কাটবে বলে আশাবাদী জেলাবাসী।