বাজার ও আবহাওয়া

সেনসেক্স
অপেক্ষা করুন...
আবহাওয়া (কলকাতা)
খোঁজা হচ্ছে...
সোনার দাম (১০ গ্রাম)
অপেক্ষা করুন...
১ মার্কিন ডলার (USD)
অপেক্ষা করুন...
লোড হচ্ছে...
logo
হট টপিক

আমার দাদা বিজেপির মুখপাত্র, মমতার মামলায় এজলাসে বললেন বিচারপতি

প্রকাশিত: ২৩ জুন, ২০২৬
আমার দাদা বিজেপির মুখপাত্র, মমতার মামলায় এজলাসে বললেন বিচারপতি
শেয়ার করুন :
facebook iconx iconlinkedin iconwhatsapp icon

নিজস্ব প্রতিনিধি: ভবানীপুর বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফলকে চ্যালেঞ্জ করে দায়ের করা হাইপ্রোফাইল মামলার শুনানির শুরুতেই কলকাতা হাইকোর্টে ঘটল এক অভূতপূর্ব ও নজিরবিহীন ঘটনা। মঙ্গলবার এই মামলার শুনানির জন্য এজলাসে বসেই নিজের পারিবারিক পরিচয় প্রকাশ করেন বিচারপতি গৌরাঙ্গ কান্ত। তিনি সরাসরি জানান, তাঁর নিজের দাদা ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) সর্বভারতীয় মুখপাত্র। এই চাঞ্চল্যকর তথ্য দেওয়ার পাশাপাশি বিচারপতি প্রশ্ন তোলেন, এই পরিস্থিতিতে মামলাটি তাঁর এজলাসে শুনানিতে কোনও পক্ষের কোনও আপত্তি আছে কি না?

আদালত সূত্রে জানা গিয়েছে, সম্প্রতি হয়ে যাওয়া বিধানসভা নির্বাচনে ভবানীপুর কেন্দ্রের ফলাফলকে চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন তৃণমূল সুপ্রিমো। ভোট গণনায় কারচুপি ও ষড়যন্ত্রী করা হয়েছে বলে অভিযোগ তুলেছে শাসক দল। মঙ্গলবার বিচারপতি গৌরাঙ্গ কান্তের সিঙ্গল বেঞ্চে এই মামলার শুনানির দিন ধার্য ছিল। মামলার প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার আগেই বিচারপতি সততা ও নিরপেক্ষতার নজির গড়ে নিজের পারিবারিক সম্পর্কের বিষয়টি সামনে আনেন।
বিচারপতির এই মন্তব্যের পর অবশ্য মামলাকারীর আইনজীবী তথা তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় স্পষ্ট জানিয়ে দেন, বিচার ব্যবস্থার ওপর তাঁদের পূর্ণ আস্থা রয়েছে। বিচারপতির পারিবারিক পরিচয় নিয়ে তাঁদের কোনও আপত্তি নেই এবং তাঁরা চান এই বেঞ্চেই মামলার শুনানি হোক। এরপরই আদালত এই মামলায় একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অন্তর্বর্তী নির্দেশ দেয়।
বিচারপতি গৌরাঙ্গ কান্ত নির্বাচন কমিশনকে নির্দেশ দিয়েছেন, ভবানীপুর কেন্দ্রের ভোট গণনাকেন্দ্রের সমস্ত সিসিটিভি ফুটেজ, ইভিএম (EVM) এবং ভিভিপ্যাট (VVPAT) সহ সমস্ত ডিজিটাল নথি অবিলম্বে সংরক্ষণ করতে হবে। আদালতের স্পষ্ট হুঁশিয়ারি, আদালতের অনুমতি ছাড়া কোনও তথ্য বা ফুটেজ মোছা বা নষ্ট করা যাবে না। আগামী দুই মাস পর এই মামলার পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য করা হয়েছে। বিচারপতির এই সততা এবং মামলার প্রথম দিনের নির্দেশ ঘিরে এখন শোরগোল রাজনৈতিক ও আইনি মহলে।