বাজার ও আবহাওয়া

সেনসেক্স
অপেক্ষা করুন...
আবহাওয়া (কলকাতা)
খোঁজা হচ্ছে...
সোনার দাম (১০ গ্রাম)
অপেক্ষা করুন...
১ মার্কিন ডলার (USD)
অপেক্ষা করুন...
লোড হচ্ছে...
logo
সর্বশেষ খবর

পরিত্যক্ত গির্জাই এখন বিলাসবহুল ভ্যাকেশন হোম, কিউই দম্পতির কামাল

প্রকাশিত: ২০ জুলাই, ২০২৬
পরিত্যক্ত গির্জাই এখন বিলাসবহুল ভ্যাকেশন হোম, কিউই দম্পতির কামাল
শেয়ার করুন :
facebook iconx iconlinkedin iconwhatsapp icon

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ ছুটির দিনগুলো একটু শান্তিতে কাটানোর জন্য নিউজিল্যান্ডের ওয়েস্ট কোস্টে একটা মনের মতো আস্তানা খুঁজছিলেন চন্টাল পলসেন এবং অ্যারন পলসেন। ক্রাইস্টচার্চের এই বাসিন্দা দম্পতি তখন বোধহয় স্বপ্নেও ভাবেননি যে, একটা পরিত্যক্ত ও জরাজীর্ণ গির্জাই শেষ পর্যন্ত হয়ে উঠবে তাদের ছুটির দিনের বিলাসবহুল ঠিকানা।

আজ থেকে প্রায় ১৩ বছর আগের কথা। গ্রে ভ্যালির অন্যতম প্রাচীন কাঠের তৈরি ঐতিহাসিক স্থাপনা ‘সেন্ট অ্যান্ড্রুজ অ্যাংলিকান চার্চ’টি কিনে নেন এই দম্পতি। ১৮৭৬ সালে নির্মিত এই ঐতিহাসিক গির্জাটি দীর্ঘদিন ধরে চরম অবহেলায় পড়ে ছিল। ঝোপঝাড়ে ঘেরা সেই জরাজীর্ণ দশা দেখে চট করে কেউ সেটি কেনার কথা ভাবতেও পারত না। চন্টালের বাবা থাকতেন রিফটনে। তিনিই প্রথম মেয়ে ও জামাইকে নিয়ে এই বিশাল ফাঁকা হলরুমের মতো দেখতে চার্চটি দেখাতে নিয়ে যান। প্রথম দেখাতেই এই দম্পতি বুঝতে পেরেছিলেন, একটু যত্ন আর পরিশ্রম দিলে এই প্রাচীন কাঠামোকেই এক অনন্য রূপ দেওয়া সম্ভব।
যেমন ভাবা, তেমনই কাজ। ঐতিহাসিক এই কাঠের কাঠামোর মৌলিক সৌন্দর্যকে অক্ষুণ্ণ রেখেই শুরু হয় সংস্কারের কাজ। ভাঙাচোরা জানলা, দেওয়াল আর ছাদকে মেরামত করে তারা তৈরি করে ফেললেন এক আধুনিক ও বিলাসবহুল ভ্যাকেশন হোম। প্রাচীন স্থাপত্যের গাম্ভীর্য আর আধুনিক নাগরিক জীবনের সমস্ত সুযোগ-সুবিধার এক অপূর্ব মেলবন্ধন ঘটেছে এই রূপান্তরে।
পুরোনো গির্জার সেই বিশাল হলরুম এখন অতিথিদের বসার ও সময় কাটানোর মূল আকর্ষণ। চারিদিকের বড় বড় জানলা দিয়ে ঘরে আসে পর্যাপ্ত আলো। ১৩ বছরের নিরলস প্রচেষ্টা আর ভালোবাসায় তৈরি এই বাড়িটি এখন শুধু তাদের নিজেদের অবসরের সঙ্গী নয়, বরং এলাকার অন্যতম দর্শনীয় এক স্থাপত্যে পরিণত হয়েছে। ইতিহাসের গায়ে আধুনিকতার এই প্রলেপ সত্যিই নজরকাড়া।

আরও খবর