হট টপিক
যৌনতার সময় দেখেই বুঝুন শরীরের হাল
প্রকাশিত: ২৫ জুন, ২০২৬
নিজস্ব প্রতিনিধি: সুস্থ এবং দীর্ঘস্থায়ী সম্পর্ক বজায় রাখার ক্ষেত্রে শারীরিক সম্পর্কের গুরুত্ব অপরিসীম। সম্প্রতি ‘রিডার্স ডাইজেস্ট’ নামক আন্তর্জাতিক পত্রিকায় প্রকাশিত একটি সমীক্ষা রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, শারীরিক ঘনিষ্ঠতা কেবল দম্পতিদের মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্কই ভালো রাখে না, পাশাপাশি মানুষের সামগ্রিক শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যেরও প্রভূত উন্নতি ঘটায়। তবে চিকিৎসা বিজ্ঞানীরা জানাচ্ছেন, ভালোবাসার এই শরীরী উদযাপনের কোনো নির্দিষ্ট বা বাঁধা-ধরা সময় না থাকলেও, আপনি দিনের কোন সময়ে যৌনতায় লিপ্ত হচ্ছেন বা কখন আপনার তীব্র ইচ্ছা জাগছে, তা আপনার শরীরের অভ্যন্তরীণ অবস্থার এক বড় ইঙ্গিতবাহী।
বিশেষজ্ঞদের মতে, যৌনতা আসলে একটি গভীর অনুভূতি। আর এই অনুভূতি পুরোপুরি নিয়ন্ত্রিত হয় শরীরের অন্দরে থাকা বিভিন্ন হরমোনের ক্ষরণের হ্রাস-বৃদ্ধির ওপর। গবেষণা বলছে, দিনের বিভিন্ন সময়ে মানুষের শরীরে হরমোনের মাত্রা ওঠানামা করে, যা সরাসরি প্রভাব ফেলে মানুষের কামোচ্ছ্বাস বা যৌন সম্পর্কের ইচ্ছার ওপর। তাই ইচ্ছা প্রকাশের সময় নির্বাচন দেখেই অনেক ক্ষেত্রে একজন মানুষের ভেতরের শারীরিক ও মানসিক সুস্থতা পরিমাপ করা সম্ভব।
যেমন, অনেক পুরুষের ক্ষেত্রে ভোরের দিকে যৌনতার ইচ্ছা তীব্র হয়। চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, এর কারণ হল রাতে ভালো ঘুমের পর ভোরের দিকে পুরুষদের শরীরে টেস্টোস্টেরন হরমোনের মাত্রা সবচেয়ে উঁচুতে থাকে। আবার অন্যদিকে, নারীদের ক্ষেত্রে অনেক সময় কর্মব্যস্ত দিনের শেষে বা রাতের দিকে মানসিক চাপ মুক্ত হলে ঘনিষ্ঠ হওয়ার ইচ্ছা বাড়ে। তবে যদি কোনো ব্যক্তির এই স্বাভাবিক হরমোন চক্রে ব্যাঘাত ঘটে বা দীর্ঘ সময় ধরে তীব্র অবসাদের কারণে যৌন ইচ্ছা একেবারে চলে যায়, তবে বুঝতে হবে শরীরে কোনো ক্রনিক সমস্যা বা মানসিক ক্লান্তি থাবা বসিয়েছে।
গবেষকদের একাংশের দাবি, সময় বুঝে ও সঙ্গীর সঙ্গে ছন্দ মিলিয়ে সুস্থ শারীরিক সম্পর্কে লিপ্ত হলে শরীর ও মন— দুই-ই চাঙ্গা থাকে। এটি হৃদযন্ত্র ভালো রাখার পাশাপাশি মানসিক চাপ কমাতেও সাহায্য করে। তাই শরীরের এই গোপন হরমোন সংকেতকে চিনে নেওয়া অত্যন্ত জরুরি।

