বাজার ও আবহাওয়া

সেনসেক্স
অপেক্ষা করুন...
আবহাওয়া (কলকাতা)
খোঁজা হচ্ছে...
সোনার দাম (১০ গ্রাম)
অপেক্ষা করুন...
১ মার্কিন ডলার (USD)
অপেক্ষা করুন...
লোড হচ্ছে...
logo
হট টপিক

পাকিস্তানে সিম পাচারের নেপথ্যে ঢাকা দূতাবাস

প্রকাশিত: ১৭ আগস্ট, ২০২৬
পাকিস্তানে সিম পাচারের নেপথ্যে ঢাকা দূতাবাস
শেয়ার করুন :
facebook iconx iconlinkedin iconwhatsapp icon

নিজস্ব প্রতিনিধি, কোচবিহার: কোচবিহারের দিনহাটা থেকে পাকিস্তানে ভারতীয় সিমকার্ড পাচারের ঘটনার তদন্তে নেমে আন্তর্জাতিক চক্রের হদিশ পেলেন গোয়েন্দারা। রাজ্য পুলিশের স্পেশাল টাস্ক ফোর্স (এসটিএফ)-এর জেরায় উঠে এসেছে চাঞ্চল্যকর তথ্য। জানা গিয়েছে, এই পাচার চক্রের নেপথ্যে রয়েছে ঢাকার পাকিস্তান দূতাবাসের প্রত্যক্ষ মদত। তদন্তে বাংলাদেশের দুই আইএসআই হ্যান্ডলার আকবর হোসেন ওরফে সম্রাট এবং ওমরের নাম উঠে এসেছে, যারা মূলত ঢাকার পাক দূতাবাসের আধিকারিকদের নির্দেশেই কাজ চালাচ্ছিল।

সম্প্রতি দিনহাটা থেকে ভারতীয় সিমকার্ড পাকিস্তানে পাচারের অভিযোগে মহম্মদ শফিকুল ইসলাম, নুর নাসিরুদ্দিন আলি এবং রশিদুল হক ওরফে রশিদুল ইসলাম নামে তিন আইএসআই চরকে গ্রেপ্তার করে এসটিএফ। তাদের মোবাইল ফোন পরীক্ষা করে এবং লাগাতার জেরা করার পরেই রংপুরের বাসিন্দা আকবর ও ঢাকার ওমরের নাম জানতে পারেন গোয়েন্দারা। ধৃতদের সূত্র ধরে জানা গিয়েছে, ঢাকার পাক দূতাবাসের শীর্ষ কর্তাদের নির্দেশ মেনে গত কয়েক মাসে নেপালের দুই আইএসআই লিঙ্কম্যানের মাধ্যমে অন্তত ১২টি সক্রিয় ভারতীয় সিমকার্ড পাকিস্তানের ইসলামাবাদে পাচার করেছে ওই দুই মাস্টারমাইন্ড। এই সিমকার্ডগুলি মূলত রাষ্ট্রবিরোধী কার্যকলাপে ব্যবহার করা হত বলে অনুমান।
তদন্তকারীরা আরও জানতে পেরেছেন যে, আকবর ও ওমর শুধুমাত্র সিম পাচারেই নয়, এ রাজ্যে জাল নোটের কারবারের সঙ্গেও সরাসরি যুক্ত। তাদের মদত পেয়েই ২০২৩ সাল থেকে দিনহাটার নাজিরহাট এবং নয়ারহাট সীমান্ত এলাকা দিয়ে গত দু'বছরে প্রায় সাত লক্ষ টাকার জাল ভারতীয় নোট ভারতে পাচার করেছে ধৃত রশিদুল। ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তকে ব্যবহার করে যেভাবে পাকিস্তান যোগ এবং জাল নোটের জাল ছড়ানো হচ্ছিল, তা ভাবিয়ে তুলেছে কেন্দ্রীয় ও রাজ্যের গোয়েন্দা সংস্থাকে। ধৃতদের হেফাজতে নিয়ে এই চক্রের শিকড় আরও কতদূর বিস্তৃত, তা জানার চেষ্টা করছেন আধিকারিকরা।